মলম দিয়ে সাময়িক নয়, ইচ রিলিফ স্প্রে ধ্বংস করবে ত্বকের ফাঙ্গাস আর এলার্জি ম্যাক্স সিরাপ ভেতর থেকে রক্ত পরিষ্কার করে দূর করবে এলার্জির মূল কারণ।
হাত দিয়ে চুলকানোর প্রয়োজন নেই, স্প্রে করার সাথে সাথে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া শান্ত হয়।
এলার্জি ম্যাক্স সিরাপ রক্তে জমে থাকা দূষিত উপাদান দূর করে চর্মরোগের মূল উৎপাটন করে।
রানের চিপা বা স্পর্শকাতর স্থানের সমস্যার কারণে অনেকেই সংকোচবোধ করেন—আমরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তায় পার্সেল পাঠাই।
বিছানায় শোয়ার পরই শুরু হয় তীব্র চুলকানি ও খচখচানি। সারারাত চুলকাতে চুলকাতে ত্বক রক্তাক্ত হয়ে যায়, ঘুমানোর কোনো উপায় থাকে না।
অফিসে বা মানুষের সামনে রানের চিপায় কিংবা শরীরে হঠাৎ চুলকানি উঠলে মানসম্মান নিয়ে টানাটানি পড়ে। কাউকে মুখ ফুটে বলাও যায় না।
দাউদ ও ফাঙ্গাল চুলকানি অত্যন্ত ছোঁয়াচে। আপনার ব্যবহৃত কাপড় বা বিছানা থেকে স্ত্রী ও কোমলমতি বাচ্চাদের শরীরেও ছড়িয়ে পড়ছে।
ডাক্তার দেখাতে দেখাতে এবং ফার্মেসি থেকে মলম কিনে লাগিয়ে সাময়িক কমলেও ওষুধ বন্ধ করলেই আবার দ্বিগুণ গতিতে ফিরে আসে।
মলম শুধুমাত্র ত্বকের উপরের অংশ কিছুটা ঠাণ্ডা রাখে, কিন্তু মূল ফাঙ্গাস ও এলার্জির জীবাণু থাকে রক্তের ভেতরে। তাই রক্ত পরিশোধন ও সঠিক বাহ্যিক স্প্রে ছাড়া এটি কখনো নির্মূল হবে না!



দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যাও ইনশাআল্লাহ দ্রুত উপশম হবে
গোলাকার লাল চাকা নির্মূল করে
ত্বকের শুকনো বা ভেজা ক্ষত সারায়
ঘামে জমা ফাঙ্গাস দ্রুত ধ্বংস করে
সারা শরীর ফুলে ওঠা ও চুলকানি
গরমের অস্বস্তি দূর করে
ত্বকের গভীরের জীবাণু পরিষ্কার করে
সঠিক নিয়মে ব্যবহারে নিশ্চিত ফল
হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ
বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই
প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপাদান
হাজারো ভুক্তভোগী এখন চুলকানিমুক্ত ও সুস্থ জীবন কাটাচ্ছেন








কোনো অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে না, পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করুন।
পণ্যটি সম্পর্কে আপনার মনে যে প্রশ্নগুলো আসতে পারে
আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করে দিনে ২ বার ইচ রিলিফ স্প্রে করবেন (হাত লাগানোর প্রয়োজন নেই)। আর এলার্জি ম্যাক্স সিরাপ প্রতিদিন সকালে ও রাতে খাবার পর ২ চা চামচ করে খাবেন। ব্যবহারের বিস্তারিত নিয়মাবলী পার্সেলের সাথে প্রেসক্রিপশন আকারে দেওয়া থাকবে।
না, এটি সম্পূর্ণ ভেষজ ও প্রাকৃতিক নির্যাস দিয়ে তৈরি। এতে কোনো ক্ষতিকর স্টেরয়েড বা রাসায়নিক নেই, তাই নারী-পুরুষ উভয়েই নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।
ঢাকার সিটির ভেতরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে আপনার ঠিকানায় সরাসরি হোম ডেলিভারি পৌঁছে দেওয়া হবে।
আমরা সম্পূর্ণ ইনট্যাক্ট ও নিরপেক্ষ কালো/বাদামি সিকিউরিটি ব্যাগে পার্সেল করি। বাইরে কোনো ধরনের চর্মরোগ বা সংবেদনশীল শব্দের উল্লেখ থাকে না। ফলে পরিবারের বা ডেলিভারি বয়ের সামনে কোনো সংকোচ থাকবে না।
চর্মরোগ থেকে নিরাপদ ও স্থায়ী মুক্তির প্রত্যয়ে নিবেদিত। যে কোনো স্বাস্থ্য পরামর্শ বা তথ্যের জন্য কল করুন আমাদের হেল্পলাইনে।
© 2026 পাহাড়ি সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | Made with Digi Mind Pro